মেনু নির্বাচন করুন
খবর

কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত ক্ষতিকর পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে ‘আলোর ফাঁদ’ পদ্ধতি কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর উপজেলা জুড়ে প্রতিদিন বাস্তবায়ন করছে।

ঈশ্বরগঞ্জে আমন ফসল সুরক্ষায় বন্ধু পোকা ও শত্রু পোকার উপস্থিতি এবং ক্ষতিকর পোকা দমনে কীটনাশকের পরিবর্তে ‘আলোর ফাঁদ’ পদ্ধতি কৃষকের কাছে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আলোর প্রতি কীটপতঙ্গের আকর্ষণকে উপজীব্য করে কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত আলোর ফাঁদ পদ্ধতি উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর উপজেলা জুড়ে প্রতিদিন বাস্তবায়ন করছে।

রবিবার রাতে একযোগে উপজেলার ৩৪টি ব্লকে সংশ্লিষ্ট উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের উদ্যোগে আলোর ফাঁদ তৈরি করা হয়। এ সময় উপজেলার শর্শী ব্লক ও নিজগাঁও ব্লকে আলোর ফাঁদ পদ্ধতির প্রয়োগ সরেজমিন পরিদর্শনে আসেন কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মো. আসাদউল্লাহ্ ও উপপরিচালক মো. আব্দুল মাজেদ।

উপজেলার নিজগাঁও ব্লকের কৃষক মতিউর রহমানের ক্ষেতের পাশে স্থাপিত আলোর ফাঁদে দেখা যায়, বাঁশের খুঁটিতে ঝুলছে চার্জার লাইট। এ সময় আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে পোকা আসছে আর লাইটের নিচে রক্ষিত গামলার সাবান মিশ্রিত পানিতে পড়ে পোকা মারা যাচ্ছে। পরে  কর্মকর্তারা উপস্থিত কৃষকদের উদ্দেশে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে নির্দেশনা দেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রহিমা খাতুন বলেন, চলতি মৌসুমে পোকার পর্যবেক্ষণে প্রতিটি ব্লকেই আলোর ফাঁদের ব্যবহার করা হচ্ছে। ধানের দানা ধরার আগ পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে

ছবি


ফাইল


প্রকাশনের তারিখ

২০১৭-১০-১৭

আর্কাইভ তারিখ

২০১৮-০৭-২৬


Share with :

Facebook Twitter